ভেতরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। লোহার শিকের ফাঁকে চোখ রেখে কিছুই দেখা গেল না। গত রোববার সন্ধ্যায় গুলিস্তানে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র ভবন চত্বরে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতাই হলো। অথচ ১৩ মাস আগেও ওসমানী উদ্যানে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র ক্লাবটি জমজমাট ছিল। এখন সবই স্তব্ধ। ক্লাব ফটকে বসা এক চা-দোকানি বললেন, ‘কেউ এইখানে আর আহে না। মেলা দিন হইছে বন্ধ।’
ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গত বছর ১৮ সেপ্টেম্বর র্যাব ক্লাবটি সিলগালা করে দেয়। ওয়ান-ইলেভেনের সময়ও জুয়াবিরোধী অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হানা দেয় এই ক্লাবে। তখন জুয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কিছুদিন পরই আবার যে-সে অবস্থা। তবে ওয়ান-ইলেভেনের সময় মুক্তিযোদ্ধা ক্লাবে তালা পড়েনি। পড়েছে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে।
১৯৮৭ সালে এরশাদ সরকার ২০ কাঠার জায়গাটি দেয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে। শুরুর দিকে এখানে ক্লাবটির ফুটবল দলকে রাখা হতো। কয়েক বছর পরই এটি জুয়ার আখড়ায় পরিণত হয়। অনেকে বলেন, ওয়ানটেনসহ নানা ধরনের জুয়া মুক্তিযোদ্ধা ক্লাব থেকেই শুরু।

